রাত ১২টা থেকে বন্ধ হচ্ছে মোটরসাইকেল চলাচল

প্রকাশ | ২৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ২২:৩৪

অনলাইন ডেস্ক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ২৯ ডিসেম্বর প্রথম প্রহরের (রাত ১২টার) পর থেকে সারাদেশে বন্ধ হচ্ছে মোটরসাইকেল চলাচল।

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই নিষেধাজ্ঞা আগামী ১ জানুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকবে। তবে নির্বাচন কমিশন থেকে সরবরাহ করা স্টিকারযুক্ত মোটরসাইকেল ব্যবহার করে সংবাদ সংগ্রহে যাতায়াত করতে পারবেন সাংবাদিকরা।

এছাড়া শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) রাত ১২টার পর থেকে ৩০ ডিসেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। এই সময় বেবি টেক্সি/অটোরিকশা/ইজিবাইক, ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পোসহ স্থানীয় যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

যান চলাচলের এসব নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ভোটগ্রহণের দিন এবং তার আগে ও পরে কিছু যানবাহন ও নৌযান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে। জনগণের সুবিধার্থে যানবাহন ও নৌযান চলাচলে কিছু বিষয়ে শিথিল করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

নিষেধাজ্ঞা শিথিলের আওতাভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে-
১. জরুরি সেবাকাজে নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরুপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি ও সংবাদপত্র বহনকারী সব ধরনের যানবাহন।

২. আত্বীয়-স্বজনের জন্য বিমানবন্দরে যাওয়া, বিমানবন্দর থেকে যাত্রী বা আত্বীয়-স্বজনসহ নিজ বাসস্থানে অথবা আত্বীয়-স্বজনের বাসায় ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত যানবাহন (টিকিট বা অনুরুপ প্রমাণ প্রদর্শন) এবং দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যেকোনও যানবাহন।

৩. প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনি এজেন্টের (যথাযথ নিয়োগপত্র/পরিচয়পত্র থাকা সাপেক্ষে) জন্য একটি গাড়ি চলাচলে অনুমতি প্রদান।

৪. সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কোনও কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচলের অনুমতি প্রদান।

৫. নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারী অথবা অন্য কোনও ব্যক্তির জন্য মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি প্রদান।

৬. উল্লিখিত যানবাহনের অনুরুপ জরুরি কাজে ব্যবহৃত নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রেও অনুমতি বা নিষেধাজ্ঞার বহির্ভুত রাখা।

৭. কূটনৈতিক জোন বা এলাকায় দূতাবাস বা হাইকমিশনে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের যাতায়াতের জন্য এবং দূতাবাস বা হাইকমিশনে কর্মরত স্থানীয় স্টাফদের কূটনৈতিক জোনের বাইরে যাতায়াত করার জন্য সীমিত সংখ্যক যানবাহন চলাচলে অনুমতি দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত প্রদান করা হয়েছে। তবে কূটনৈতিক জোন/এলাকায় কোনও বহিরাগত যানবাহন প্রবেশের ক্ষেত্রে পুলিশ কমিশনার বা সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষের যথাযথ অনুমোদন নিতে হবে।