ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১

‘অতীতের মতো নৌকার জোয়ার ঠেকাতে কালোটাকা ছড়াচ্ছেন একরামুজ্জামান’

প্রকাশ | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৮:৩০

অনলাইন ডেস্ক

‘বিএনপিপ্রার্থী একরামুজ্জামান ভোটের প্রচারণার নামে এলাকায় প্রচুর বহিরাগত লোক নিয়ে এসেছেন। অতীতের মতো নৌকার জোয়ার ঠেকাতে কালোটাকা ছড়াচ্ছেন তিনি। একরামুজ্জামান ২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবর নাসিরনগরে সংগঠিত সহিংস ঘটনার প্রধান পৃষ্ঠপোষক। সেসময়ও কালোটাকা ছড়িয়ে তিনি ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা চালিয়ে ছিলেন’- বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের মহাজোটপ্রার্থী বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম।

২৬ ডিসেম্বর (বুধবার) দুপুরে নাসিরনগর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপিপ্রার্থী সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ এসব অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচনের প্রাক্কালে ও ভোটের দিন মহাজোট প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা যাতে কেন্দ্রে যেতে না পারেন সেজন্যে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। ৩০ ডিসেম্বর রক্তের বন্যা বইয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।’

হামলার কিছু বিবরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘গত ১০ ডিসেম্বর চাপরতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সুরুজ আলীর বাড়িতে বিএনপি মিছিল নিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ চালায়। এরপর ১৬ ডিসেম্বর চাপরতলা ইউনিয়নের নূর আলম ভূঁইয়া সেজুর বাড়িতে বাশের তৈরি নৌকা আগুনে দিয়ে পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। ২৪ ডিসেম্বর ফেদিয়ারকান্দি গ্রামে নৌকা প্রতীক ভাঙচুর করা হয়। এর প্রতিবাদ করায় আওয়ামী লীগের কর্মী নূর ইসলাম ও জুয়েলকে পিটিয়ে আহত করা হয়।’ 

‘এছাড়া নূরপুর ও গোয়ালনগর গ্রামে আওয়ামী লীগের প্রচারণায় বাধা দেওয়াসহ মারধোর করে দলের নেতাকর্মী রুবেল মিয়া, সেলিম, হাবিব ও রোমান আহত করে।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ডা. রাফি উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান সরকার, যুবলীগ সভাপতি অঞ্জন কুমার দেব, পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি হরিপদ পোদ্দার, সাবেক সভাপতি কাজল দত্ত, ছাত্রলীগ আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন রানা, সাবেক ছাত্রনেতা রায়হান ভূঁইয়া প্রমুখ।